দুর্দান্ত কত ‘রানজীবী’, তবু কেন মাঝের ওভারে এত ধস
আবিদুল ইসলাম ঢাকা
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৩
ভারতের বিপক্ষে সিরাজের বলে বোল্ড হন বাবর আজম। পাকিস্তানের ইনিংসে ধসের শুরু এখান থেকেই। সেই ম্যাচে ২ উইকেটে ১৫৫ রান থেকে পাকিস্তানের ১৯১ রানে অলআউট হয়ে যাওয়া নিয়ে সমালোচনা কম হয়নি
দলগুলোর দিকে একবার তাকানো যেতে পারে—পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা। পরাশক্তি এই দলগুলোয় কী দুর্দান্ত সব ‘রানজীবী’ই না আছেন! নামগুলো একবার পড়ে নেওয়া যেতে পারে—বাবর আজম, মোহাম্মদ রিজওয়ান, সৌদ শাকিল, স্টিভ স্মিথ, মারনাস লাবুশেন, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, জো রুট, জশ বাটলার, রেসি ফন ডার ডুসেন, এইডেন মার্করাম, হাইনরিখ ক্লাসেন, ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা, চারিত আসালাঙ্কা।
জয় গোস্বামী সমুদ্রে পা ডুবিয়ে ছপছপ কবিতায় যেমনটা লিখেছেন—সমুদ্রে পা ডুবিয়ে ছপছপ/ যে-ধীবর হাঁটে/ মাথার টোকাটি উল্টে ধ’রে/ যে পায় টুপটাপ উল্কা। চাঁদ। কবিতার এই মৎস্যজীবীর মতো নিজেদের ক্যারিয়ার-টোকায় কত রান এখন পর্যন্ত জমা করেছেন এই রানজীবীরা। টুপটাপ মেরেছেন কত ছয় আর চার! মাছ ধরতে ধরতে এক সকালে জয় গোস্বামীর সেই মৎস্যজীবী হঠাৎই অকালে আর বেঘোরে হারিয়ে যায়—সমুদ্রের ছাদ ফুটো ক’রে একটি উষায় তার মাথাটি আগুন লেগে ফাটে। এর কারণটাও সহজ আর সরল—তোমার ধৈর্যের ভাঙে বাঁধ।
এবারের ওয়ানডে বিশ্বকাপে মহারথী রানজীবীদের অবস্থা যেন ঠিক এমনই। রান ‘ধরতে ধরতে’ হঠাৎই বাবর, লাবুশেন, রুটদের মাথাটি আগুন লেগে ফাটে। ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে বাবর হঠাৎই আউট হয়ে ফেরেন মোহাম্মদ সিরাজের বলে বোল্ড হয়ে। লাবুশেন সামলাতে পারেন না রবীন্দ্র জাদেজার ঘূর্ণি। মুজিব উর রেহমানের স্পিনে খাবি খান রুট, বাটলার সামলাতে পারেন না নাভিন উল হককে!





No comments: